দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় বিজিবির জব্দ করা ভারতীয় বাসমতি চাল ছিনতাই ও বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় আরও ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
রোববার (৮ জুন) রাতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) অধীন সালদানদী বিওপির সুবেদার মো. মাসুদ বাদী হয়ে কসবা থানায় মামলাটি করেন। সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কসবা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আমিন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন সকালে কসবা সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী টহল চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নয়নপুর এলাকায় একটি ট্রাকে অবৈধভাবে ভারতীয় বাসমতি চাল মজুত থাকার তথ্য পায় বিজিবি। পরে সালদানদী ও শশীদল বিওপির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ট্রাকটি জব্দ করেন।
এ সময় আসামিদের উসকানিতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ১৫–২০ জন বিজিবি সদস্যদের ঘেরাও করে সরকারি কাজে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে হামলা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। হামলায় ল্যান্স নায়েক দিদার হোসাইনসহ কয়েকজন বিজিবি সদস্য আহত হন। হামলাকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে এবং জব্দ করা মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে বলেও এজাহারে বলা হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বায়েক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি স্বপন মিয়া এবং ইউনিয়ন বিএনপির নেতা হুমায়ুন মিয়া। এছাড়া নয়নপুর, বায়েক, কোল্লাপাথর ও কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে বায়েক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। প্রমাণ হলে আইন অনুযায়ী বিচার মেনে নেবেন।
কসবা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আমিন বলেন, বিজিবির ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জে আই